প্রসেসর কি ও কত প্রকার

প্রসেসর কি ও কত প্রকার

প্রসেসর কি ? এই আর্টিকেল এ আমরা প্রসেসর নিয়ে আলোচনা করবো । প্রসেসর হল কম্পিউটারের অন্যতম প্রধান হার্ডওয়্যার। মূলত একে CPU = Central Processing Unit (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) বলে। প্রকৃত অর্থে মাইক্রো প্রসেসর একটি সয়ংসম্পন্ন এবং প্রোগ্রামেবল গানিতিক ইঞ্জিন। যা ইন্সটকশনের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় অপারেশন নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পাদন করে।

মার্সিয়ান হফ প্রথম প্রসেসর আবিষ্কার করেছিলেন (নিউইয়র্কের 28 ই অক্টোবর 1937)। প্রসেসর প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির মধ্যে কয়েকটি হ’ল ইন্টেল, এএমডি, কোয়ালকম, মটোরোলা, স্যামসাং, আইবিএম ইত্যাদি । প্রসেসরগুলি সিলিকন দ্বারা তৈরি ছোট আকারের চিপ যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে টাস্ক বা ক্রিয়াকলাপ সম্পাদন করার জন্য ডিভাইসগুলির অভ্যন্তরে স্থাপন করা হয়। এর গতি পরিমাপ করা হয় মেগাহের্টজ এর শর্তাবলী। আনার, ডিকোডিং, সম্পাদন এবং নির্দেশাবলী ফিরে লেখার জন্য প্রসেসরের চারটি প্রধান প্রাথমিক ফাংশন। মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ওয়াশিং মেশিন, অনেক স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রে প্রসেসর ব্যবহার করা হয়।

ড. টেড হফ ১৯৭১ সালের ১৫ নভেম্বর (প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ইন্টেল- ৪০০৪) মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করেন।পরবর্তীতে ইন্টেলের  কয়েক জন ইঞ্জিনিয়ার একসাথে মিলে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার করেন।

১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকে বৃহৎ-মাপের সমন্বয়করণ (large-scale integration, LSI) প্রযুক্তির প্রচলন হয়, যার ফলে একটি অতিক্ষুদ্র (৫ বর্গমিলিমিটার ক্ষেত্রফলের চেয়েও ছোট) সিলিকনের চিলতের উপরে হাজার হাজার ট্রানজিস্টর, ডায়োড ও রোধক জাতীয় ইলেকট্রনীয় বর্তনী ও যন্ত্রাংশ স্থাপন করা সম্ভব হয়।

১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা অণুপ্রক্রিয়াজাতকারক টি বাজারে আসে, যার নাম ছিল ইন্টেল ৪০০৪। ১৯৮০-র দশকের শুরুর দিকে অতিবৃহৎ-মাপের সমন্বয়করণ (very large-scale integration, VLSI) প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটে, যার সুবাদে মাইক্রোপ্রসেসর চিলতেগুলির ভেতরে বর্তনীর ঘনত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। ২০১০ সালে এসে আগের আকারের চিলতেতেই একটিমাত্র অতিবৃহৎ-মাপের সমন্বিত বর্তনীতে কয়েক শত কোটি ইলেকট্রনীয় উপাদান ধারণ করা সম্ভব হয়।

স্বল্পমূল্যের মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবনের ফলে কম্পিউটার প্রকৌশলীরা মাইক্রোকম্পিউটার নির্মাণে সফল হন। এই কম্পিউটার ব্যবস্থাগুলি আকারে ছোট হলেও বিভিন্ন ব্যবসা, শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা ও বৈজ্ঞানিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয় গণন ক্ষমতার অধিকারী।

বর্তমানে আধুনিক সমাজের বহুক্ষেত্রে মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হচ্ছে। গৃহস্থালি ও দৈনন্দিন বিভিন্ন ইলেকট্রনীয় যন্ত্রপাতি যেমন কাপড় ধোবার যন্ত্র, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন (মুঠোফোন), অণুতরঙ্গ চুল্লী (মাইক্রোওয়েভ ওভেন), ইত্যাদিতে মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হয়। আধুনিক মোটরযানে মাইক্রোপ্রসেসর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত প্রজ্বলন ব্যবস্থা, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এমনকি বর্জ্য গ্যাস নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকে, যাতে গাড়ির কর্মদক্ষতা বাড়ে, জ্বালানির সাশ্রয় হয় এবং দূষণ কম হয়।

এই নিবন্ধে, বিভিন্ন ধরণের প্রসেসরগুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রসেসরের প্রকারভেদঃ

বিভিন্ন ধরণের প্রসেসর রয়েছে যা নিম্নলিখিতগুলি অন্তর্ভুক্ত করে।

  1. General Purpose Processor
    1. Microprocessor
    2. Microcontroller
    3. Microcontroller
  2. Digital Signal Processor
  3. Media Processor
  4. Application-Specific System Processors (ASSPs)
  5. Application-Specific Instruction Set Processors (ASIPs)
  6. ASIC Processors
  7. MultiProcessor

তথ্যসূত্রঃ

Sohoz-School – computer

Leave a Reply